মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দোল মন্দির

হাওড়ের বুকে পূব আকাশ রাঙ্গিয়ে যখন সূর্য উকি দেয় তখন জীবনের সাড়াপড়ে। কর্মমুখী মানুষের জীবন চাঞ্চল্যে সরব হয়ে ওঠে হাওড়। সমগ্র হাওড়ের মাঝে শুধু একটি মাত্র বটবৃক্ষযেন সুশীতল ছায়ার আধার। কথিত আছে- এ অঞ্চলে জনবসতির পত্তন হলে হাওড়ের মাঝে গড়ে উঠে একটি ঘর, যা গরম্ন, রাখাল ও কৃষক কুলের বিশ্রাম স্থল, পরবর্তীতে সেটি দোল মন্দির হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। প্রায় ধংসপ্রাপ্ত দোল মন্দিরের উপর প্রাকৃতিক ভাবে জনম নিয়েছে এক বটবৃক্ষ, বিশাল জলরাশি এবং কখনো উন্মুক্ত সবুজ ধান ক্ষেতের মাঝে কালের স্বাক্ষীমন্দিরে জনম নেয়া বটবৃক্ষহাওড়ের অভিভাবক হিসেবে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমমত্ম ও ঋতুরাজ বসমেত্ম অতন্দ্র প্রহরীর মত যেন সদা জাগ্রত, সমসত্ম সৌন্দর্য যেন ঠিকরে পড়ছে মন্দির ও বটবৃক্ষ কে ঘিরে। ২০১২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল তার জীবন ঢুলী ছবির সুটিং কার্য অনেকটা সম্পন্ন করেন এই মন্দিরকে ঘিরেই।