মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

 উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস,নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

১৯৮৪ইং সনে নিকার এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারা দেশেকে ১০টি জোনে বিভক্ত করা হয়। সাব জরিপ বর্ষে কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়। এ কার্যালয়ে মোট কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ১৯জন। তাছাড়া মাঠজরিপ চলাকালে প্রয়োজন মোতাবেক মৌসুমী কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ভূমি জরিপ কার্যক্রমের ০৪টি স্তর মাঠ, তসদিক,আপত্তি ও আপীল স্তর। বর্তমানে এ কার্যালয়ে শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক মৌজার আপীল স্তরের কার্যক্রম চলিতেছে।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

 

স্তরের নাম

সেবার ধরন, বিবরন ও ভূমি মালিকের করণীয়

 সেবা প্রদানে    নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

জরিপ শুরু করার পূর্বে সেটেলমেন্ট অফিসার স্থানীয় প্রশাসনসহ ভূমি মালিকগণকে অবহিত করে জরিপ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন।এ কাজে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়।জরিপ বিজ্ঞপ্তি ঘোষনার পর পরই ভূমি মালিকগণকে জরিপের প্রস্ততিমূলক কাজ হিসাবে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার।

ট্রাভার্স

কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তুত করতে সরেজমিনের সাথে সঙ্গতি রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্তুতের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।ট্রাভার্সের উপর ভিত্তি করে পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নকশা প্রস্তুত করা হয়।কোন মৌজার পুরোনো নকশা অর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না।এ স্তরে জরিপ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে ভূমি মালিকগনকে যোগাযোগের তেমন প্রয়োজন নাই।তবে ভূমি মালিকগণ জমির আইল/সীমানা সনাক্ত করে রাখবেন।

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/ট্রাভার্স সার্ভেয়ার।

কিস্তোয়ার

এই স্তরে আমিনদল ভূমি মালিকগণ কর্তৃক সনাক্তকারি আইল/সীমাণা অনুযায়ী প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লু-প্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোধন করেন।অনেকের ধারনা যে জরীপ কর্মচারীগণ জমির সীমানা ঠিক করে দেন।এ ধারনাটি সঠিক নয়।প্রকৃতপক্ষে জরীপ কর্মচারীগন বিদ্যমান সিমাণা অনুযায়ী নকশা প্রস্তুত করেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার।

খানাপুরী

কিস্তোয়ার স্তরে অংকিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরেজমিন উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড, দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম,ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করেন।এ স্তরে ভূমি মালিকদের প্রধান কাজ হচ্ছে যথাসময়ে নিজে জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করে খতিয়ানে ঐসব তথ্য লিপিবদ্ধ করানো।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার।

বুঝারত

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া।এ স্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমান উল্লেখ করে বিনামূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ করা হয়,যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।পর্চা বিতরনের তারিখটি পূর্বেই নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।পর্চা বিতরনের নির্ধারিত তারিখে ভূমি মালিকগণ নিজে উপস্থিত থেকে জরিপ কর্মচারিদের নিকট থেকে পর্চা সংগ্রহ করবেন।ভূমি মালিকগণ পর্চার সঠিকতা যাচাই করে দেখবেন এবং প্রাপ্ত পর্চার ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন বা পরিবর্তন আবশ্যক হলে নির্দিষ্ট বিবাদ (disput)ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন।হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানির মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিষ্পত্তি করবেন।খানাপুরী স্তরে কোন কারনে মালিকের নাম,ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত হয়নি এমন ভূমি মালিকগণ বুঝারত স্তরে হল্কা অফিসারের নিকট আবেদনক্রমে ঐ সকল তথ্য রেকর্ড করবার সুযোগ পাবেন।ভূমি মালিকগণকে মনে রাখতে হবে মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন রেকর্ড করার এটাই শেষ সুযোগ।এর পরেও রেকর্ড সংশোধন/প্রণয়নের সুযোগ থাকলেও তা হবে অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী কোন ক্যাম্প অফিসে,যা জটিল ও যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাষ্ট্রাল সার্কেল অফিসার।

খানাপুরি কাম বুঝারত

যখন কোন মৌজার ব্লু-প্রিন্ট সীটের জরিপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরি ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।

 

তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশন

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে।খানাপুরি ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনীত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা।তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো।বুঝারত স্তরের মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজ পত্র ও প্রমাণাদি যাচাই করে প্রতিটি খতিয়ান সত্যায়ন করেন তসদিক অফিসার।এ স্তরে ভূমি মালিকগণ পূর্ববর্তী স্তরে প্রণীত পর্চা ও নকশায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমান উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন।তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি হিসাবে বিবেচিত হয়।তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তসদিক অফিসার/উপ-সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার

খসড়া প্রকাশনা ও আপত্তি দায়ের

তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রণীত রেকর্ড সর্বসাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মুক্ত রাখা হয়।খসড়া প্রকাশনা উন্মুক্ত রাখার সময়কাল উল্লেখপূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এজন্য বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়।ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যোক্ষর অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা ক্রমবিন্যাস করা হয় বিধায় তসদিককৃত খতিয়ানটির নম্বর পরবর্তীতে বদলে যায়।তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্যও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চা সহ খসড়া প্রকাশনা ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়।ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবি থাকলে সরকার নির্ধারিত দশ(১০)টাকার কোর্ট ফি দিয়ে আপত্তি দায়ের করা যাবে।এটিই ৩০ বিধির আপত্তি।

তসদিক অফিসার/খসড়া প্রকাশনা অফিসার।

আপত্তি শুনানি

ডিপি চলাকালে আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ ইস্যু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ,সময় ও স্থানে শুনানি গ্রহন করে নিষ্পত্তি করা হয়।দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসরনে এটি একটি বিচারিক কার্যক্রম।পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবী আপত্তি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করতে পারেন।আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে বিস্তারিত শুনানি দিয়ে,কেস নথিতে লিপিবদ্ধ ও পর্যালোচনা করে তার সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং আইন অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন।সন্তোষজনক কারন উল্লেখ না করে কোন একটি পক্ষের অনুপস্থিতিতে আপত্তি মামলা নিষ্পত্তি করার কোন বিধান নেই।

সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার/সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার,উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার।

আপীল শুনানি

আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপীল দায়ের করলে এ পর্যায়ে ঐ সকল আপীলের শুনানিও নিষ্পত্তি করা হয়।এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আপত্তি মামলার রায়ের নকল সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সর্বাগ্রে উত্তোলন করতে হবে।এ জন্য সরকার নির্ধারিত হারে কোর্ট ফি এবং প্রয়োজনীয় সংখক কার্টিজ পেপার জমা দিতে হবে।

সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার/চার্জ অফিসার/জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার।

সিটিজেন চার্টার

স্তরের নাম

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

জরিপ শুরুর পুর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন সহ ব্যাপক জনসংযোগ করাহয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/ সীমানা চিহিত করতে রাখতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

ট্রাভার্স

কোন  মৌজার নকশা সম্পুর্ণ নতুন করে প্রস্তুত করতে যে  কাঠামো স্থাপনকরা হয়। সেটাই ট্রাভার্স অত:পর পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নক্সা প্রস্তুতকরা হয়।    কোন মৌজার পুরানো নক্সা অর্থাং ব্ল-প্নিন্ট সীটের উপর জরিপ করারক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না।

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/ ট্রাভার্স সার্ভেয়ার

কিস্তেয়ার

এই স্তরে আমিনদল প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নক্সা অংকনের মাধ্যমে কিস্তেয়ার অথবা ব্লু প্রিন্টে পুরানো নক্সা সংশোধন করেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী

কিস্তেয়ার স্তরে অঙ্কিত নক্সার প্রত্যেকটি দাগের জমির উপস্থিত হয়েআমিনদল জমির দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিল পত্র ও দখলযাচাই  করে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ(খানাপুরী) করেন এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিন দলকে জমির মালিকানা ওদখল সঙক্রান্ত প্রমানাদি উপস্থাপন করা।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

 বুঝারত

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া এ স্তরে আমিদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চাজমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয় মাঠ পর্চা নামে পরিচিত। পর্চা বিতরণেরনোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/ এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়াহয় । ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাচাই করে কোনরূপ সংশোধন বাপরিবর্তন আবশ্যক হলে নির্দিষ্ট ফরম পুরন করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন।হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদনিষ্পত্তি করবেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসা বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী কাম বুঝারত

যখন মৌজা ব্ল-প্রিন্ট সীটে জরিপ করা হয় তখন উপরে বর্ণিত খানাপুরী বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসা বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

তসদিক বা এ্যাটেষ্টশন

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের  কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে।তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমিরমালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমানাদি  যাচাই করে প্রতিটি বুঝারতখতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এস্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নক্সায় কোন সংশোধনপ্রয়োজন মনে করলে বিবাদ দাখিল করতে পারেন এবংউপযুক্ত প্রমান উপস্থাপন করেতা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিকআইনগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ।

তসদিক অফিসার/ উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

  

খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দায়ের

 

তসদিকের পর জমির প্রণীত রেকর্ড সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য ৩০ দিনউম্মুক্ত রাখা হয়। এ সময়কাল উল্লেখপুর্বক ক্যাম্প  অফিস হতে বিজ্ঞপ্তি ওপ্রচার করা হয়। ভূমি মালিকগণের নামের অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চাবর্ণানুক্রমিক ক্রমবিন্যাস করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। তাই তসদিককৃতখতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থা ডি পি নম্বরটি সংগ্রহের জন্য ভূমি মালিকগণের নিজনিজ পর্চা সহ খসড়া প্রকাশনা (ডি পি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডি পি তেপ্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত১০.০০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে নিদিষ্ট ফরম পুরন মাধ্যমে প্রজাস্বত্ব বিধিমালার৩০ বিধি অনুযায়ী আপত্তি দায়ের করা যাবে।

 

তসদিক অফিসার/ খসড়া প্রকাশনা অফিসার (উপ- সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার)

আপত্তি শুনানী  আপীল শুনানী

ডি পি চলাকালে গৃহিত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফতজ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিষ্পত্তি করাহয়।  পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবীআপত্তি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানীদিয়ে রায় নথিতে লিপিবদ্ধ করে তার সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডেপ্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন। আপত্তি রায়ে সংক্ষুদ্ধ ৩১ বিধিতে আপীল দায়ের করতেপারেন। নির্ধারিত কোট ফি  এবং কার্টিজ পেপার সহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবরআবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে।নির্দিষ্ট ফরম পুরণের মাধ্যমে রায়ের ঐ নকল সহ আপীল দায়ের করতে হবে।সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে। নির্দিষ্ট তারিখ সময়  ও স্থানেশুনানী  গ্রহণকরে আপীল নিষ্পত্তি করা হয়

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

বিষয়

কোর্ট ফি

ক) আবেদন পত্র

১০.০০ টাকা

খ) নকল (শব্দ)

*১হতে ৩৬০

* ৩৬১ হতে ৭২০

* ৭২১ হতে ১০৮১

* ১০৮২ হতে ১৪৪০

* ১৪৪১ হতে ১৮০০

* ১৮০১ হতে ২১৬০

* ২১৬১ হতে ২৫২০

* ২৫২১ হতে ২৮৮০

 

২.৫০ টাকা

৫.০০ টাকা

৭.৫০ টাকা

১০.০০ টাকা

১২.৫০ টাকা

১৫.০০ টাকা

১৭.৫০ টাকা

২০.০০ টাকা

 

 

চুড়ান্ত প্রকাশনা

আপত্তির রায় প্রদানের তারিখ থেকে (আপত্তির নকল সরবরাহের সময়বাদ দিয়ে) ৩০দিনের মধ্যে আপীল দায়ের না করলে তামাদির কারণে আপীল অগ্রহণযোগ্য হবে। আপীলস্তরের পরে প্রণীত রেকর্ড বিষয়ে কেবল মাত্র তঞ্চকতা ও করণিক ভূলের অভিযোগসেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট প্রতিকার চাওয়া যায় । উপরোক্ত স্তর সমূহের কাজসমাপ্তির পর আনুসাঙ্গক কার্যাদি সম্পন্ন করে পর্চা ও নক্সা মুদ্রণ করা হয়।মুদ্রিত নক্সা ও পর্চা নোটিশ/ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চুড়ান্তপ্রকাশনার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলায় একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। চুড়ান্তপ্রকাশনার সময়কাল ৩০ কর্মদিবস এ স্তরে ভূমি মালিকগণ মুদ্রিত নক্সা ও পর্চাসরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

 

বিভিন্ন প্রকারের ম্যাপ খতিয়ানের বিক্রয়মুল নিম্নরূপ

 

ক্রমিক নং

আইটেমের নাম

নির্ধারিত মুল্য

মৌজা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৩৫০/-

মৌজা ম্যাপ (ফটোকপি)

৩০০/-

থানা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৫০০/০

জেলা ম্যাপ (মুদ্রিত) সাদা-কালো

৫০০/-

জেলা ম্যাপ (মুদ্রিত) রঙিন

৭৫০/-

বাংলাদেশ ম্যাপ (মুদ্রিত)

১২৫০/-

খতিয়ান (মুদ্রিত)

৬০/-

 স্তরের নাম

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুন্যল ও আপীলেট ট্রাইব্যুনাল

মৌজা রেকর্ড চুড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি  প্রকাশের ১বছরের মধ্যে ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুন্যল/দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনাকরা যাবে। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুন্যালে প্রতিকার না পেলে মহামান্যহাইকোর্টে আপীল করতে পারেন।

 

মৌজা সীমানা নিয়ে বিরোধ

জরিপ চলাকালীন কোন মৌজা/ উপজেলা সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলেসেটেলমেন্ট অফিসার খানাপুরী কাম-বুঝারত স্তরে উক্ত বিরোধ বিধিমতে নিষ্পত্তিকরবেন আন্ত: জেলা সীমানা বিরোধ মহা পরিচালক ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরসংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকগণের সমন্বয়ে নিষ্পত্তি করবেন।

কারিগরী উপদেষ্টা/সেটেলমেন্ট

     

 

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ওপ্রজাস্বত্ব আইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধান অনুসারেভূমি রেকর্ড ও জরিপের কাজসমূহ স্তরভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে। রেকর্ডপ্রণয়ন ও নক্সা প্রস্তুত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথেসংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারেরকার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিকগণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতেপারেন। নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ জরিপের স্তরসমূহে যথা নিয়মে সেবাপ্রদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

§         ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও নক্সা প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তরভিত্তিক।

§         নির্ভুল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।

§       মাঠ পর্চাসরকারীভাবে বুঝারত-কাম-তসদিক স্তরে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।বিবাদ,আপত্তি ওআপীলের রায়ে রেকর্ড সংশোধিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ স্বাক্ষরেসংশোধিত পর্চা বিনামূল্যে সরবরাহ করবেন।

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডরুম থেকেআপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও নক্সার সার্টিফাইডকপি/অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ওপ্রজাস্বত্ব আইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধান অনুসারেভূমি রেকর্ড ও জরিপের কাজসমূহ স্তরভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে। রেকর্ডপ্রণয়ন ও নক্সা প্রস্তুত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথেসংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারেরকার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিকগণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতেপারেন। নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ জরিপের স্তরসমূহে যথা নিয়মে সেবাপ্রদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

§         ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও নক্সা প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তরভিত্তিক।

§         নির্ভুল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।

§       মাঠ পর্চাসরকারীভাবে বুঝারত-কাম-তসদিক স্তরে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।বিবাদ,আপত্তি ওআপীলের রায়ে রেকর্ড সংশোধিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ স্বাক্ষরেসংশোধিত পর্চা বিনামূল্যে সরবরাহ করবেন।

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডরুম থেকেআপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও নক্সার সার্টিফাইডকপি/অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ নজিবর রহমান ০১৭৪৭-৪৭০২৭৮

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ নজিবর রহমান ০১৭৪৭-৪৭০২৭৮

0

মো: নজিবর রহমান

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

মোবাইল: ০১৭৪৭৪৭০২৭৮

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস,নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

তাছাড়া সড়ক ও নদী পথে নিম্নাক্ত উপায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে।

সড়ক পথে

 

ঢাকা থেকে ঢাকা-সিলেট জাতীয় মহাসড়ক পথে বিশ্বরোড পর্যন্ত এসে বিশ্বরোডের মোড় থেকে ১৮ কিঃমিঃ উত্তরে নাসিরনগর উপজেলা।

কুমিল্লা থেকে কুমিল্লা - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জাতীয় মহাসড়ক পথে বিশ্ব রোড পর্যন্ত এবং বিশ্ব রোড থেকে১৮ কিঃমিঃ উত্তরে নাসিরনগর উপজেলা।

নদী পথে

মেঘনা নদী পথে     ভৈরব হতে (চাতলপাড় ইউনিয়ন) নাসিরনগর উপজেলায় মালামাল পরিবহন করা যায়।

 

বিঃদ্রঃ-রেল পথে নাসিরনগর উপজেলার সাথে কোন যোগাযোগ নাই।